রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশের সকল মানুষের মতের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই। এ পদ্ধতিতে প্রত্যেক ভোটারের ভোট মূল্যায়িত হবে। কোনো ভোট নষ্ট হবে না।
রবিবার (৬ জুলাই) বাদ আসর সংগঠনের নগর কার্যালয়ে মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ এসব কথা বলেন।
জনসমর্থন আছে এমন প্রতিটি দল সংসদে প্রতিনিধিত্ব পাবে। এতে করে ভোটাররা উৎসাহ নিয়ে ভোট দেবে, গণতন্ত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়বে। সংসদ ভারসাম্যপূর্ণ হবে, একচেটিয়া আধিপত্য আর থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ যে ভাষায় পিআর দাবীকে সামনে নিয়ে আসা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।
তিনি যে যুক্তিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমালোচনা করেছেন তা স্ববিরোধী। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিএনপিও ২০২১ এর আগের সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো একজন সিনিয়র নেতা এমন স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অসভ্যতা করবেন বলে জাতী আশা করে না।
২০১৩-১৪ সালে তারা গাজীপুর, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা ইত্যাদি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ীও হয়েছে। ২০১৯ সালেও তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে।
চট্রগ্রামে শাহাদাত হোসেন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলের নির্বাচনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইশরাক আওয়ামী আমলের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং তারই ভিত্তিতে মেয়রের পদ দাবী করে আন্দোলন করেছেন।
মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, সালাহউদ্দিন আরো বলেছেন, যারা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন চাইছে তারা একটি চরের দল। এ বক্তব্যেরও আমরা নিন্দা জানাই। ”চর” ঢেউ ও জলোচ্ছ্বাস থেকে জনতাকে আশ্রয় দেয়। ”চোর” জনগণের সব ছিনিয়ে নেয়। সুতরাং আমরা চরের দলে আছি। চোরের দলে নয়।
সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় মাসিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি হাসান ইমাম মুন্সী, জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. সাইফুল ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব হাসান আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. শামসুল আলম, প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক বিলাল খান, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসমাইল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।