সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে সরকারবিরোধী মিছিলের প্রস্তুতি ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ মামলায় মাসুদ মিয়া (২৮) ও রাহুল (২৫) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২২ জুলাই সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, সিদ্ধিরগঞ্জের মাদানীনগর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী মিছিল ও স্লোগান দেওয়ার উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালালে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়দের তথ্য ও পুলিশের তদন্তে অভিযুক্তরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য-সমর্থক এবং সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়।
মামলার আসামীরা হল- ১। মাসুদ মিয়া (২৮) পিতা- আসাব উদ্দিন, ২। হাবিবুর রহমান হাবিব (৩৫) তার ভাই ৩। পলাশ (৪০) পিতা- রুহুল আমিন, ৪। সালাহ উদ্দিন (৩৩) পিতা- দুলাল মিয়া, ৫। রাহুল (২৫) পিতা- মাসুম, ৬। শাহরিয়ার জয় (২৪) পিতা অজ্ঞাত, ৭। রনি ওরফে ফটকা রনি (২৫) পিতা- অজ্ঞাত, ৮। সুজন (৩০) পিতা- সেলিম, ৯। সাজ্জাদ (২৫) পিতা- অজ্ঞাত, ১০। তানভীর (২৩) পিতা- অজ্ঞাত, ১১। জুবায়ের (২৫) পিতা- অজ্ঞাত, ১২। আরাফাত (২৫) পিতা-জাকির হোসেন, ১৩। যুব (২৮) পিতা- হিরণ, ১৪। মোকছেদুল (৪৫), পিতা- হাজী নুরুল ইসলাম, ১৫। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাতী লীগ সভাপতি লিটন ওরফে গুজা লিটন (৩৫) পিতা-আ: রব, ১৬। মোস্তফা মিজি (৪৮) পিতা- আলফু মিয়াজী, ১৭। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহির (৩৫), তার ভাই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ১৮। নজরুল ইসলাম (৫০) উভয় পিতা- ধনু মেম্বার। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের পর মাসুদ মিয়া ও রাহুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।