আগামীতে আপনারা আমার সাথে নির্বাচন করবেন। ধানের শীষ নিয়েই আমি নির্বাচন করবো।” নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ফাইনাল মনোনয়ন যখন আসবে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হোক অথবা না দেক আপনারা কখনো বিচ্ছিন্ন হবেন না। ঐক্য থাকবেন ও মর্যাদা আদায় করে নিবেন।”
সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ বাসভবনে আগামী ৭ই নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (০৪ নভেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত প্রস্তুতিমুলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন একথা বলেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেনের সঞ্চালনায় এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই রাজু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হালিম জুয়েল, থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, ডিএইচ বাবুল, জিএম সাদরিল, এসএম আসলাম, রওশন আলী, এড. মাসুদুজ্জামান মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাধীন, কামরুল হাসান শরীফ, দপ্তর সম্পাদক ডা. মাসুদ করিম ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
গিয়াসউদ্দিন বলেন “১৯৭১ সালে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। পাক হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালীদের উপর বর্বর হামলা চালায়। সেই সময় সমগ্র জাতি দিশেহারা ছিল, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন। সেই সময় জাতিকে পথ দেখিয়েছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।”
গিয়াসউদ্দিন আরও বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান দেননি, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে নেতৃত্বও নিয়েছেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছেন, যা আমাদের জাতির জন্য গর্বের বিষয়। স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশের কল্যাণ ও উন্নয়নে নতুন আদর্শের বীজবোপন করেন।”