শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জেল খাটার অভিজ্ঞতা নিতে ফতুল্লায় শিশু হ.ত্যা: গ্রে.প্তার ৬ কিশোর গভীর নলকূপের ওপর নাসিকের কর ধার্য: বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরেই ব্যক্তিখাতের শিল্প কারখানায় বিতরণ করা হয়: বস্ত্র ও পার্ট মন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার হার্ট অ্যা.টাকে মৃ.ত্যু ব্যানারে ছবি না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জে পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির দু’পক্ষের হাতা.হাতি সিদ্ধিরগঞ্জে ৯ মামলার আসামি ও শামীম ওসমানের সহযোগী সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার সোনারগাঁওয়ে পুরোনো প্রশ্নে পরীক্ষার ঘটনায় ১১ শিক্ষককে অব্যাহতি বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী নেওয়ার ফাঁদ: ৪ দালাল আটক ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্রসচিবকে অব্যাাহতি সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি বিক্রি: জরিমানা

খালাস পেয়েছেন মামুনুল হক

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৯৫ Time View

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুর কাইয়ুম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেলা সাড়ে ১১ টায় মামুনুল হকের উপস্থিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম ১৪ অক্টোবর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। এ মামলায় ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এ সময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। গত ২০২১ সালের ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রোমেল মোল্লা বলেন, মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। যার কারণে আদালত মামুনুল হককে নির্দোষ ঘোষণা করে বেখসুর খালাস প্রদান করেছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, মামলার ধার্য তারিখ অনুযায়ী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। আদালত মামুনুল হককে বেখসুর খালাস প্রদান করেছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছিল। আমরা সেদিন আদালতকে বলেছিলাম এই পুরো বিষয়টি যোগসাজসে সংঘটিত হয়েছে। যিনি মামলার বাদী তিনি শারীরিক পরীক্ষা করাতে রাজী হননি, কারণ তিনি স্বীকার করেছেন মামুনুল হক তার বৈধ স্বামী। একইসঙ্গে বাদীর ছেলে আব্দুর রহমান সাক্ষ্য দিতে এসে বলে গিয়েছিলেন, তার মা মামুনুল হকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাদের ওপর বলপ্রয়োগ করে মামলা করানো হয়েছিল। আদালত আমাদের প্রতি ন্যায়বিচার করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »