বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর হা.ম.লার মামলায় ৪ জনসহ ৭ আসামি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে লু.ট হওয়া পি.স্ত.ল উদ্ধার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে যাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ পুলিশে গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের তালিকা চাইলেন এমপি মান্নান: দিলেন তিতাস কর্মকর্তাদের পি.টা.নোর অর্ডার সোনারগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে লা.থি মা.রা সেই কিশোর আটক ফতুল্লায় বন্ধ গোডাউন থেকে গলিত লা.শ উদ্ধার : আটক ২ বন্দরে গ্যাস লিকেজে আ.গুন: দ.গ্ধ শিশুর মৃ.ত্যু: শ.ঙ্কায় বাবা-মা আমের ক্যারেটে ফেন.সিডি.লের বিকল্প ফেয়ার.ডিল: র‌্যাবের জালে ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ১ তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সং.ঘ.র্ষ : আ.হ.ত ৫ সিদ্ধিরগঞ্জে দিনমজুরকে আ.টকে ২ লাখ টাকা চাঁ.দা দাবি: ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭

ভুট্টাক্ষেতে পাওয়া গেল অ.প.হৃত শিক্ষার্থীকে : হানি ট্র্যাপ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

বন্দর প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫২ Time View

বন্দর থানা এলাকা থেকে ডেটিং অ্যাপের ফাঁদে অপহৃত এক কিশোরকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১। এ ঘটনায় ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চরধলেশ্বরী এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেতে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরকে উদ্ধারের পাশাপাশি পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন বন্দর থানার সালেহনগর এলাকার বাসিন্দা মো. আকাশ (২৪), বাবুপাড়া এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় শীল (২০), বন্দর আমিন এলাকার বাসিন্দা মো. সিয়াম (২২), নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. ফয়সাল (২৮) এবং সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলি এলাকার বাসিন্দা মো. বায়েজিদ (২৩)।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, অপহৃত সেই যুবক ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রায় এক মাস আগে ‘টেন টেন’ নামের একটি ডেটিং অ্যাপে ‘ইনায়া শেখ’ নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হয় সে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে দেখা করার প্রলোভন দেওয়া হয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোর বন্দর থানার চরধলেশ্বরী এলাকায় পৌঁছালে ৯-১০ জনের একটি দল তাকে জোর করে পাশের একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায়।

সেখানে তাকে মারধর করে মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেই পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবার বিকাশের মাধ্যমে ৪ হাজার ৫০০ টাকা পাঠায় এবং বন্দর থানায় একটি মামলা করে।

র‌্যাব-১১ এর সহকারী পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. রওনক এরফান খান জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »