আমি মো. মীর হোসেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) একজন দক্ষ ডিজেল ফিটার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সম্মানের সঙ্গে চাকরি করে আসছি।
সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চাকরি রক্ষার স্বার্থে শুক্কুর মাহমুদ পরিষদের ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময় মহসিন পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর মাধ্যমে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমি আন্দোলনরত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করি। নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাসেলের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকায় আন্দোলনকারীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাবার ও শরবত বিতরণ করি।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এরপরও বিআইডব্লিউটিসির কিছু ব্যক্তি আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও হয়রানি করে আসছেন। তাঁরা কিছু সাংবাদিককে ভুল তথ্য দিয়ে এবং বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন। আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সরকারি বিধি মোতাবেক বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ছবি তুলতে হয়েছে। অথচ সেই ছবিগুলো ব্যবহার করে আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা বা ছবি তোলার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কোনো সম্পর্ক নেই।
আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আমার বিরুদ্ধে প্রচারিত এসব অপপ্রচারের কোনো সত্যতা নেই। দীর্ঘ ৩০ বছরের চাকরিজীবনে আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। অথচ একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার সম্মানহানি ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
আমি আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত ও প্রচারিত এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছি এবং আমার বিরুদ্ধে চলমান হুমকি, হয়রানি ও অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রতিবাদকারী:
মো. মীর হোসেন
দক্ষ ডিজেল ফিটার
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)