ফতুল্লায় কুরবানির পশুর হাটের শিডিউল ক্রয় নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে সন্ত্রাসীরা। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফা, আরিফসহ ১৫-২০ জন। বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায় অবস্থিত সদর উপজেলা কার্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধাওয়া করে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং ৮ জনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদরের গোপনগর ইউনিয়ন থেকে ৩০-৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী সকালে উপজেলায় আসে। এরপর তারা কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পাশের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন। আর কিছু লোক উপজেলা পরিষদের মাঠে অবস্থান করেন। যারা হাটের সিডিউল ক্রয় করে বাহিরে বের হয় তাদেরই দেহ তল্লাশি করে শিডিউল রেখে দেয়।
এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফাসহ ১০-১২ জন ওই সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত হন। এরপর বিকালে ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার আসেন উপজেলায়। তখন তার সামনেই ওই সন্ত্রাসীরা উচ্ছৃঙ্খলতা করলে তিনি প্রতিবাদ করেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকেও মারধর করেন।
বিষয়টি রুহুল আমিন শিকদারের লোকজন জানতে পেরে তারা এসে ওই সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে কয়েকজনকে গণপিটুনি দেন। তখন ওই সন্ত্রাসীদের মধ্যে কিছু পালিয়ে যায় আর ৮ জন উপজেলা কার্যালয়ের অফিস কক্ষে আশ্রয় নেয়। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করেন। তাৎক্ষণিক আটককৃতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, সদরের ১৫টি পশুর হাটের শিডিউল বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে কিছু উচ্ছৃঙ্খল যুবক পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলেছে। তাদের আটক করা হয়েছে। নাম-পরিচয় জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।