রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওসমান পরিবারের লুট.পাট ও চাঁ.দা.বা.জির বিভিন্ন ক্ষেত্র এখন বিএনপির কতিপয় লোকের দখলে: রফিউর রাব্বি যুবদলের সাবেক সভাপতি খোরশেদের নেতৃত্বে বৃক্ষ রোপন সিদ্ধিরগঞ্জে এইচএসসি পরিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মাঝে টিম খোরশেদের পানি বিতরণ যুবককে পি.টি.য়ে হ.ত্যা.র ঘটনায় ইমামসহ ৬ জনের নামে ফতুল্লা থানায় মামলা কারখানার মেশিনে থেঁ.ত.লে গেছে হাত: মাথায় আ.ঘা.ত লেগে প্রাণ গেল শ্রমিকের বন্দরে এক হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ছিন.তাই.কারী আখ্যা দিয়ে ফতুল্লায় যুবককে পি.টি.য়ে হ.ত্যা সোনারগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম নারায়ণগঞ্জে হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হ.ত্যা: প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেপ্তার নি.খোঁ.জের ৬ দিন পর ডোবা থেকে অটোরিকশা চালকের লা.শ উদ্ধার

নারীকে ছু.রি.কা.ঘাতে হ.ত্যা: পুলিশের সামনে অভি.যু.ক্তকে পি.টিয়ে হ.ত্যা

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৬ Time View

রূপগঞ্জ উপজেলায় এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পরে ওই ঘটনার অভিযুক্তকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার কেরাবো মোড়ে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল ‘সি’) মেহেদী ইসলাম।

নিহত নারী আমেনা বেগম (৪৫)। তিনি স্থানীয় মুদি দোকানি বাবুল দেওয়ানের স্ত্রী। অপরদিকে নিহত অভিযুক্তের নাম মেহেদী ইসলাম (৩২)। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং উপজেলার বিরাবো খালপার এলাকার মোস্তফা মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে বাবুল দেওয়ানের নবনির্মিত বাড়িতে টাইলসের কাজ করেছিলেন অভিযুক্ত মেহেদী ইসলাম। কাজ শেষ হয় চার দিন আগে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়িটি ফাঁকা পেয়ে মেহেদী সেখানে ঢুকে একটি মোবাইল ফোন চুরির চেষ্টা করেন। এ সময় আমেনা বেগম তাকে দেখে ফেললে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমেনার গলায় ছুরিকাঘাত করেন।

আমেনার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্তকে আটক করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আমেনা বেগমকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
আমেনার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা আটক থাকা অভিযুক্তের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়। দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে প্রায় ৩০ মিনিটের ব্যবধানে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার পর প্রথমে অভিযুক্তকে বাড়িতেই বেঁধে রাখা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। তবে আমেনার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের কাছ থেকে অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ অভিযুক্তকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। এ সময় একদল লোক তাকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে লাথি, ঘুষি ও ইট দিয়ে আঘাত করে।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযুক্তকে পুরোপুরি হেফাজতে নেওয়ার আগেই জনতা হামলা চালায়।”

উভয় মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »