বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জেল খাটার অভিজ্ঞতা নিতে ফতুল্লায় শিশু হ.ত্যা: গ্রে.প্তার ৬ কিশোর গভীর নলকূপের ওপর নাসিকের কর ধার্য: বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরেই ব্যক্তিখাতের শিল্প কারখানায় বিতরণ করা হয়: বস্ত্র ও পার্ট মন্ত্রী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তার হার্ট অ্যা.টাকে মৃ.ত্যু ব্যানারে ছবি না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জে পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির দু’পক্ষের হাতা.হাতি সিদ্ধিরগঞ্জে ৯ মামলার আসামি ও শামীম ওসমানের সহযোগী সিরাজ মন্ডল গ্রেফতার সোনারগাঁওয়ে পুরোনো প্রশ্নে পরীক্ষার ঘটনায় ১১ শিক্ষককে অব্যাহতি বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী নেওয়ার ফাঁদ: ৪ দালাল আটক ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্রসচিবকে অব্যাাহতি সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি বিক্রি: জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম

সোনারগাঁও প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ Time View

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্দিরগঞ্জ) আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে হলফনামা ও মনোনয়ন ফর্মে তথ্যগত ঘাটতির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

প্রার্থীতা ফিরে পেয়ে অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম বলেন, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞ। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় এই রায় গুরুত্বপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের জনগণই আমার শক্তি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটে আমি জয়যুক্ত হবো। শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণের রায় প্রতিফলিত হবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।

অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিউর রহমান নান্নু মুন্সী, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী, খেলাফত মজলিসের শাহজাহান, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, জনতার দলের প্রার্থী আব্দুল করিম মুফতি, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »