আজকে যারা নির্বাচন করতে চান আপনারা তো আসেন মধু খেতে। কারণ এখন দলের অবস্থা ভালো দেখছেন এখন আপনারা আসছেন মধু আহরণ করতে। আপনাদের তো কিছুটা শরম থাকা দরকার নাকি? আইসাই আপনারা মধ্যে বসতে চান এমপি হয়ে যেতে চান এটা কোন রকমই সম্ভব হবে না।
বন্দর থানা এলাকার ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রাথমিক সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য ফরম কার্যক্রম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান এসব কথা বলেন। সোমবার (২১ জুলাই) বিকালে ইস্পাহানী বাজারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মহানগর ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সফি উদ্দিন সোহেল প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিশেষ অতিথি বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেনশাহ আহমেদ, বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক রানা, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আঃ মতিন ভাষানীর, বন্দর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান বাদল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সভাপতি, মাসুদুর রহমান, সহ- সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, মো. আমানত, মো. আমির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়া সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলাম নারু, এড. আজমল হোসেন রানা, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া সাগরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অনেকেই অনেক কথা বলতেছেন কিন্তু আমাদের নেতা তারেক রহমান কোন কথাই কর্ণপাত করবে না। আপনারা বিএনপির জন্য কোন কিছু করেন নাই সুতরাং সুসময় আপনারা বিএনপির থেকে কিছু পাবেন না।
তিনি বলেন, কিছু কিছু শিল্পপতি এসেছেন যারা বিভিন্ন সময় বিএনপি নেতা কর্মীদের পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজন দিয়ে হয়রানি ও মামলা হামলার শিকার করিয়েছিলেন। তারা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির পক্ষে বিভিন্ন ধরনের কার্যকলাপ করেছিল। শুধু তাই নয় প্রকাশ্যে নির্লজ্জের মতন তাদের মিটিং মিছিলে গিয়েছিল।
তাদেরকে ইতিমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে সেই বহিষ্কৃত নেতাদেরকে নিয়ে তারা এখন পথ চলছেন। আমাদের দল থেকেই ইতিমধ্যে কিন্তু বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে এতে বহিষ্কৃত নেতাদেরকে নিয়ে কোন চলাচল এবং তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে না। যারা এগুলো করতেছেন তারা ওই বহিষ্কৃতদের পর্যায়ের লোক।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি কিন্তু কন্ট্রোলের মাল না। যে কন্ট্রোলের চাল যেভাবে পারবেন সেভাবেই খাবেন। এখন দেখতাছি বিএনপিতে যাদের সদস্য পদ নাই তারাব বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের দিচ্ছেন। এতে করে কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
আপনি দলই করেন নাই দলের মেম্বারও হোন না এখন যদি আপনি সামনে এসে বসতে চান সেটা কি সম্ভব। যারা দল করেছে নির্যাতিত হয়েছে হামলা মামলার শিকার হয়েছে তারা সামনে বসবে আর আপনারা পিছে থাকবেন তারপরে বসবেন।