বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিমালা রয়েছে। ইতিমধ্যে সাত হাজার নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে এই দল থেকে। বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দল নাই, যে দলের নেতা-কর্মী কোন অপরাধ করলে এত বেশি সংখ্যক নেতা-কর্মী বহিষ্কার হয়েছে। এটা আমাদের দেশে এবং বিশ্বে বিরল। সুতরাং অপরাধ করে কেউ যেহেতু পার পাচ্ছে না, অপরাধ করার সুযোগ কেউ নিলেও সে বিচারের আওতায় চলে আসে। অতএব যারাই অপরাধ করবে, তাদের বিচার হবে।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন একটি চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় মতবিনিময় সভায় এ সব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মামুন মাহমুদ। সভায় বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামুন মাহমুদ বলেন, আমাদের দলে বিচার ব্যবস্থা রয়েছে। যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হয়েছে, যেগুলোর তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে, প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে কারও কমিটি বাতিল করা হয়েছে, কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কারো কারো বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে নিহত গনমাধ্যম কর্মী ও তাদের পরিবারের বিষয়য়ে মামুন মাহমুদ বলেন, চব্বিশের আন্দোলনে পাঁচজন গণমাধ্যম কর্মী শহিদ হয়েছেন। এ ব্যাপারে আমাদের দলের ঘোষণা রয়েছে, প্রত্যেক শহিদ পরিবারের জন্য আমরা সহযোগীতা দেবো। যাতে ঐ পরিবার স্বচ্ছলভাবে জীবন-যাপন করতে পারে। এয়াড়াও আমরা এ সমস্ত পরিবারের শহিদদের স্বরণীয় করে রাখতে স্কুল, কলেজ, কালভার্ট, ব্রীজ, রাস্তা সহ অন্যান্য স্থাপনা আমরা করে দেবো। নারায়ণগঞ্জে রিয়া গোপের নামে অলরেডি ষ্টেডিয়ামের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও আরো কিছু প্রক্রিয়া চলছে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ঘটনায় সাংবাদিকদের নামে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক এবং নিন্দনীয় কাজ। যা প্রকাশ করার ভাষা আমার জানা নেই। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি। যেন কোন নিরীহ মানুষ হয়রাণীর শিকার না হয়। যাদেরকে মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে চার্জশীট থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।