নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে হরিন মার্কার প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি শাহ্ আলম ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় বলেন, যার ভোট সে দেবে সে আশায় সবাই বুক বেঁধে আছে। কিন্তু সে পরিবেশ যদি সৃষ্টি না হয় বাংলাদেশে আর কোনোদিন সুষ্ঠ নির্বাচন হবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।
শাহ্ আলম বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা যারা এখানে বসে আছেন তাদের কাছে মৌখিকভাবে বলেছি, এছাড়া আপনাদের গোয়েন্দা সংস্থা আছে। কিন্তু প্রহসনের নির্বাচন যাতে না হয়। আমাদের লোকজনকে হুমকি দেয়া হচ্ছে।
আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা দয়া করে আমাদেরকে ডাকেন, আমরা কি বলতে চাই, আপনারা শুনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। আমরা একটাই জিনিস চাই, নিরপেক্ষ নির্বাচন।
আমাকে ভোট দিলে আমি পাশ করব, ভোট না দিলে না হবো। কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু আমরা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চাই। এটা আমাদের অধিকার, আপনাদেরকে অনুরোধ করছি দয়া করে তার ব্যবস্থা করে দেন।
এ সময় শাহ্ আলম আরও বলেন, গত ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। যার ভোট সে দিবে সে আশায় সবাই বুক বেঁধে আছে। আমাদেরকে জনগণকে ভোট দেওয়ার সুযোগ আপনারা করে দেন। উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।
আপনাদের কাছে অনুরোধ করে বলতে চাই, যে একটা সুন্দর নির্বাচন করে দেন নারায়ণগঞ্জের কাছে আপনারা ইতিহাস হয়ে থাকেন। যেটা ৯১ এর প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন সাহেব হয়েছিলেন।
এসময় নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, ‘যেকোনো ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্বাচন পরিবেশ নষ্ট করার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ইতোমধ্যে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছি এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আমাদের সকল বাহিনী মাঠে থাকবে এবং খুব শিগগিরই আপনারা এর বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাবেন। কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আপনারা মৌখিকভাবে যে অভিযোগগুলো আমাদের জানিয়েছেন, তার ভিত্তিতেই আমরা কাজ শুরু করেছি এবং গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
তবে আমি অনুরোধ করব, সম্ভব হলে লিখিত অভিযোগ প্রদান করবেন। কারণ আইনগত ব্যবস্থা নিতে গেলে প্রমাণ ও এভিডেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।