ফতুল্লা এবং সিদ্ধিরগঞ্জে এই বছর বিশ হাজার গাছ লাগানো হবে। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, জীবন বাঁচায়। গাছ আমাদের বন্ধু। অথচ গাছের সাথে আমরা ভীষণ শত্রুতা করি। গাছ কেটে মানুষই পরিবেশ ধ্বংস করে। তাই আমাদের বেঁচে থাকতে হলে গাছ লাগাতে হবে এবং গাছকে লালন পালন করতে হবে।
ডা. জুবায়েদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ফতুল্লার ভুঁইঘর কাজীপাড়া এলাকায় বুধবার (২৫ জুন) সকালে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ পূর্ব আলোচনায় এসব কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মাজেদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য নাদিম হাসান মিঠু ও একরামুল কবির মামুন, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মাতবর, ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাজ্জাত হোসাইন সাজ প্রমূখ।
এদিকে বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি পূর্বপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন তিনি। স্থানীয় বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসময়ে উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, গাছ না থাকলে অক্সিজেনের জন্য পিঠে সিলিন্ডার নিয়ে ঘুরতে হবে। একারণে আমাদের পরিবেশ বাঁচাতে, জীবন বাঁচাতে গাছ লাগাতেই হবে। প্রত্যেকের কমপক্ষে একটি করে গাছ লাগাতে হবে। একটি পরিবারে পাঁচ জন সদস্য থাকলে কমপক্ষে পাঁচটি গাছ লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, বাঁচাতে হবে। নিজের সন্তানকে যেভাবে আমরা লালন-পালন করি গাছকেও ঠিক সেভাবে লালন-পালন করতে হবে। আজকে যে গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে তা যারা পরিচর্যা করে বড় করতে পারবে তাদের মধ্য থেকে দশ জনকে আগামী বছর পুরস্কৃত করা হবে।
মামুন মাহমুদ বলেন, ড. জোবাইদা রহমান একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক এবং জিয়া পরিবারের জ্যেষ্ঠ পুত্রবধু। তিনি বিসিএসএ ফার্স্ট হয়েছিলেন। বাংলাদেশে মানুষের সেবা করছিলেন। আন্তর্জাতিক ভাবেও ভাল ফলাফল করেছেন। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতে গিয়ে জোবাইদা রহমানের মত একজন প্রখ্যাত চিকিৎসককেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করেছে।