বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর হা.ম.লার মামলায় ৪ জনসহ ৭ আসামি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে লু.ট হওয়া পি.স্ত.ল উদ্ধার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে যাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ পুলিশে গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের তালিকা চাইলেন এমপি মান্নান: দিলেন তিতাস কর্মকর্তাদের পি.টা.নোর অর্ডার সোনারগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে লা.থি মা.রা সেই কিশোর আটক ফতুল্লায় বন্ধ গোডাউন থেকে গলিত লা.শ উদ্ধার : আটক ২ বন্দরে গ্যাস লিকেজে আ.গুন: দ.গ্ধ শিশুর মৃ.ত্যু: শ.ঙ্কায় বাবা-মা আমের ক্যারেটে ফেন.সিডি.লের বিকল্প ফেয়ার.ডিল: র‌্যাবের জালে ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ১ তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সং.ঘ.র্ষ : আ.হ.ত ৫ সিদ্ধিরগঞ্জে দিনমজুরকে আ.টকে ২ লাখ টাকা চাঁ.দা দাবি: ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭

ঢাকা থেকে শিশুকে নারায়ণগঞ্জে এনে ধ.র্ষ.ণ: পুলিশ কনস্টেবল কারাগারে

বন্দর প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪৫ Time View

বন্দর উপজেলায় ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ডিএমপির এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ সদস্যের নাম মো. রুহুল আমিন (৪১)।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী।

গ্রেপ্তার মো. রুহুল আমিন (৪১) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ধানমন্ডি ট্রাফিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। তিনি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ির শেখ সাদির ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলার রূপালী আবাসিক এলাকায় ভাড়াবাসায় থাকেন।

বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি বন্দর এলাকার ভাড়া বাড়িতে ঘটেছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের চাষাড়ায় ওই কনস্টেবল আটক হন। তার সঙ্গে শিশুটিও ছিল। পরে রাত একটার দিকে অভিযুক্তকে সদর মডেল থানা পুলিশ বন্দর থানায় হস্তান্তর করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশুটির বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। সে ঢাকার কলাবাগানে একটি বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। সকালে তার চাচা ধর্ষণের অভিযোগে বন্দর থানায় মামলা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার ও প্রাথমিক তদন্তের বরাতে ওসি লিয়াকত বলেন, “সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কলাবাগান পুলিশ বক্সের সামনে কান্না করছিল শিশুটি। ওই সময় পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত ছিলেন অভিযুক্ত কনস্টেবল রুহুল আমিন। তিনি শিশুটিকে নিয়ে বন্দরের ফ্ল্যাটে আসেন এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটিকে নিয়ে ঢাকার দিকে আবারও যাবার সময় চাষাড়ায় শিশুটি কান্নাকাটি করলে লোকজনের সন্দেহ হয় এবং পুলিশে খবর দেয়।”

ধর্ষণের মামলায় ওই পুলিশ কনস্টেবলকে আদালতের নির্দেশে দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. কাইউম খান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »