সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লার ‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান সোহেল অ.স্ত্র ও মা.দ.কসহ গ্রেপ্তার সরকার বিধবা কার্ড দিলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ এক রাতেই তিন স্থানে বি.স্ফো.র.ণ: দ.গ্ধ ৯ ফতুল্লায় ইটভাটার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সং.ঘ.র্ষ : গু.লি.বি.দ্ধসহ আহত ১০ শ্রমিকলীগ থেকে তাঁতীদলে পদ পাওয়া সেই নেতা বহিষ্কার সোনারগাঁওয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৫ কেজি গাঁ.জা উদ্ধার বন্ধ জুট মিল থেকে এলজি ও লু.ন্ঠি.ত কা.র্তু.জ উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে পানির দাবিতে আদমজী ইপিজেড সড়ক অ.ব.রো.ধ : বি.ক্ষো.ভ কাঁচপুরে রাসায়নিকবাহী কাভার্ডভ্যানে আ.গু.ন নারায়ণগঞ্জ মহানগরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দুই দিনব্যাপী কর্মী তারবিয়াতস অনুষ্ঠিত

ফতুল্লার ‘কোবরা গ্রুপের’ প্রধান সোহেল অ.স্ত্র ও মা.দ.কসহ গ্রেপ্তার

ফতুল্লা প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৫ Time View

ফতুল্লার আলোচিত ‘কোবরা গ্রুপ’ বা ‘সোহেল গ্রুপের’ প্রধান হিসেবে পরিচিত সোহেল খন্দকারকে বিদেশি রিভলবার, গুলি ও হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১১। বাহিনীটির দাবি, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৫টির বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি রিভলবার, পাঁচ রাউন্ড গুলি, ৭০ পুরিয়া হেরোইন (মোট ১০ গ্রাম) এবং একটি পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১১।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১১-এর আদমজীনগর কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।

এসআরবি-১১-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোহেল খন্দকার দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লার কাঠেরপুল, শিবু মার্কেট, লামাপাড়া ও আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কাঠেরপুলসংলগ্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে তিনি মাদক কারবারের একাধিক আস্তানা পরিচালনা করতেন বলেও দাবি বাহিনীটির।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকের লেনদেন ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে। মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ এবং এলাকায় আধিপত্য ধরে রাখতে তিনি কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এসআরবি-১১-এর দাবি, এসব গ্রুপের সদস্যদের হাতে অস্ত্র ও মাদক তুলে দিয়ে এলাকায় মহড়া দেওয়া হতো। অস্ত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার পাশাপাশি স্থানীয় পোশাক কারখানা, ব্যবসায়ী ও ঝুট গোডাউনের মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করা হতো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, গোডাউনে লুটপাট এবং ঝুট লুটের মতো ঘটনা ঘটানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বাহিনীটির ভাষ্য, সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৫টির বেশি মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যা চেষ্টার মামলাতেও তিনি আসামি বলে জানানো হয়েছে। এর আগে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তেন বলে দাবি এসআরবি-১১-এর।

বাহিনীটি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর রাতে সদর থানার মিশনপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সোহেল খন্দকারকে গ্রেপ্তারের পর তার হেফাজত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, হেরোইন ও পকেট রাউটার উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর সোহেল খন্দকারের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »