আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ৫৭টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। অন্য প্রার্থীরা প্রত্যেকে একটি করে আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। তিনি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল আজ (২৯ ডিসেম্বর)। পাঁচটি আসনে মোট ৯১টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হলেও জমা পড়েছে ৫৭টি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে শনিবার (৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির মোহাম্মদ দুলাল ও মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, বাংলাদেশ ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেহান আফজাল, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, কমিউনিস্ট পার্টির মনিরুজ্জামান চন্দন, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন এবং খেলাফত মজলিসের আব্দুল কাইয়ুম শিকদার।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ও আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, জামায়াতে ইসলামীর মো. ইলিয়াস মোল্লা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির আবু হানিফ হৃদয়, কমিউনিস্ট পার্টির মো. হাফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আবুল কালাম, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজুর রহমান ও আব্দুল আউয়াল।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও অধ্যাপক রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী, খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, খেলাফত মজলিসের মুহা. শাহাজান, জনতার দলের আব্দুল করিম মুন্সী, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম এবং গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাশ।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সর্বাধিক ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের জোট প্রার্থী মনির হোসাইন কাশেমী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা শাহা আলম, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী ও ফাতেমা মনির, খেলাফত মজলিসের মো. ইলিয়াস আহাম্মেদ ও আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকেশন পার্টির মোহাম্মদ আলী, বাসদের সেলিম মাহমুদ, ইসলামী আন্দোলনের ইসমাঈল হোসেন সিরাজী, এনসিপির আব্দুল্লাহ আল আমিন, কমিউনিস্ট পার্টির ইকবাল হোসেন, জাসদের সুলায়মান দেওয়ান, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টির ছালাউদ্দিন খোকা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. সেলিম আহমেদ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- বিএনপির আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মুক্তিজোটের এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল ইসলাম মামুন, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব, আবু জাফর আহমদ বাবুল ও অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী, কমিউনিস্ট পার্টির মন্টু চন্দ্র ঘোষ, গণসংহতি আন্দোলনের তরিকুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের নাহিদ হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন।