শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈ.ধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি: গ্রে.প্তার ২ সিদ্ধিরগঞ্জে সেলাই কর্মীর মৃ.ত্যু নিয়ে রহস্য ফতুল্লায় ঝুট নিয়ে র.ক্ত.ক্ষ.য়ী সং.ঘ.র্ষ: গু.লি-ক.ক.টে.লে আহ.ত ৩: শিশুর পেটে গু.লি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহাল দশা: কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২০ কিমি যানজট সিদ্ধিরগঞ্জে হাত-পা বেঁধে ফিল্মি স্টাইলে ডা.কা.তি সিদ্ধিরগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : পুলিশের লাঠিচার্জ সদর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার সিদ্ধিরগঞ্জে বন্ধ পোশাক কারখানার ভেতর থেকে নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার ফতুল্লার রেজ্জাক বাহিনীর প্রধান ছেলেসহ গ্রেপ্তার: ৫৩ রাউন্ড গু.লি উদ্ধার ঘু.ষে.র টাকা ফেরত দিতে গিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে অ.ব.রু.দ্ধ পুলিশ কর্মকর্তা

না ফেরার দেশে চলে গেলেন আবুল সরকার

স্টফ রিপোর্টার
  • Update Time : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৩৫ Time View

না ফেরার দেশে চলে গেছেন দেশের প্রখ্যাত বাউল শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার বড় আবুল সরকার।
রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় তিনি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দাপা শিয়াচর এলাকার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিলো ৬৮ বছর।

রাতেই তাকে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়। আবুল সরকার ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকার কফিলউদ্দিন সরকার ও আফিরুন বেগমের ছেলে।

জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ফরিদ আহমেদ লিটন, আবুল সরকারের শিষ্য শাহআলম সরকার, লতিফ সরকার, বাউল শিল্পি পাগল মনির, ছোট আবুল সরকারসহ অসংখ্য শিল্পি ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিরা।

শাহ আলম সরকার বলেন, ১৯৫৫ সালের ১০ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং এলাকায় আবুল সরকার জন্ম গ্রহন করেন। গানের জগতে তিনি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ফতুল্লায় বাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

আবুল সরকারের শিষ্য লতিফ সরকার বলেন, আমার ওস্তাদ কখনো কারো সঙ্গে খারাপ আচরন করেননি। তিনি ধর্মভীড়ু ছিলেন। আধ্যত্মিক গান গাইতেন। আল্লাহর রাসুলের শান গাইতেন। কোরআন হাদিস পড়তেন। মসজিদের ইমামদের সাথে ছিলো আমার ওস্তাদ আবুল সরকারের বন্ধুত্ব।
বাউল শিল্পি পাগল মনির বলেন, এক সাথে অনেক পালা গান গেয়েছি। অনেক স্মৃতি এখন চোঁখে ভেসে উঠছে। বিশ্বাস হচ্ছেনা আবুল সরকার নেই।

ছোট আবুল সরকার বলেন, আবুল সরকারের গানে ছিলো জ্ঞানের ভান্ডার। তরুন থেকে বৃদ্ধরাও ছিলো আবুল সরকারের গানের ভক্ত। তিনি গান লিখতেন সুর করতেন গাইতেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো মানুষ মনযোগ দিয়ে আবুল সরকারের গান শুনেন। দেশবাসী একজন গুনী শিল্পি হারালেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »