সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে : জামায়াতে আমীর এ দেশের মানুষ তাকে ছক্কা মেরে সীমানার বাহিরে ফেলে দিয়েছে: মামুনুল হক হঠাৎ ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী : কর্মকর্তাদের আগাম হাজিরায় ক্ষো.ভ সিদ্ধিরগঞ্জে পরিবহন শ্রমিক সজীব হ.ত্যা: বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার নগর পার্কে ব.ন্দু.ক হাতে মা.স্তা.নি : দুই তরুণ আটক বন্দরে বুলবুল হ.ত্যা: সিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ৯ জন গ্রেফতার বন্দরে বুলবুল হ.ত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ : তীব্র যানজট বন্দরে পূর্ববিরোধের জেরে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হ.ত্যা সিদ্ধিরগঞ্জে ঝোপ থেকে বিদেশি পি.স্ত.ল, গু.লি ও সুইচ গি.য়ার উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর হা.ম.লার মামলায় ৪ জনসহ ৭ আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে টাকা আদায়: ভুয়া সাংবাদিককে ৭ দিনের কারাদন্ড

ফতুল্লা প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১৪ Time View

 

এসএ টিভির সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মোট ৩৯ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগে মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ দণ্ড দেওয়া হয়। একই অভিযানে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরেক কথিত সাংবাদিক মিয়া মোহাম্মদ মুরাদ হোসেনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনিম সোহানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এদিকে মনিরুল ইসলাম ‘এসএ’ টিভির সাংবাদিক নন বলে প্রতিষ্ঠানটির ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, সকালে মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিজেকে এসএ টিভির সাংবাদিক পরিচয় দেন। দ্রুত পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি তিনজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মোট ৩৯ হাজার টাকা নেন। পরে আত্মীয় পরিচয় দেখিয়ে তাদের পাসপোর্টের কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। খবর পেয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তাৎক্ষণিক শুনানি শেষে তাকে সাত দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া অভিযানের সময় মিয়া মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি নিজেকে ‘বাংলা সংবাদ’-এর সম্পাদক পরিচয় দিয়ে অফিসে উপস্থিত হন। তিনি সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। গোপন ক্যামেরায় তার কর্মকাণ্ড ধরা পড়ার পর মোবাইল কোর্টের টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা বা ভুয়া পরিচয়ে অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপতৎপরতা রোধে আমরা কঠোর থাকব।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »