রূপগঞ্জে জনতার হাতে আটক সাব্বির হোসেন খোকা নামে সাবেক ছাত্রলীগের নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে যুবদল নেতার এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মামুনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) দুপুরে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক (ইনটেলিজেন্স) সালাহউদ্দিন কাদের বলেন, মঙ্গলবার (১০ জুন) রাতের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। এর আগে মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের মাঝিপাড়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন মামুন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন খোকা গত কয়েকদিন আগে এলাকায় প্রবেশ করে। মঙ্গলবার (১০ জুন) বিকেলে স্থানীয় এলাকাবাসী তাকে আটক করে। খোকাকে আটকের খবর পেয়ে তার বন্ধু সাবেক জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক জায়েদুল ইসলাম বাবু তাকে ছাড়িয়ে নিতে পিস্তল দিয়ে গুলি বর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবসায়ী মামুন। এ সময় এলাকাবাসী জড়ো হয়ে ধাওয়া করলে পালিয়ে যায় বাবু।
তখন উত্তেজিত এলাকাবাসী ছাত্রলীগ নেতা খোকাকে গনধোলাই দিয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত ব্যবসায়ী মামুনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত্যু হয় তার।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, গুলিবিদ্ধ যুবককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে সেখানে সে মৃত্যুবরণ করে। গণপিটুনির শিকার খোকাও আহত অবস্থায় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত বাবু পলাতক। এ ঘটনায় মামুনের পরিবার রাতেই থানায় জায়েদুল ইসলাম বাবুসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।