নারায়ণগঞ্জে গরু বেপারী ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক দুর করতে এবং গরুর বেপারীরা যাতে সড়ক ও নদী পথে নিজেদের পছন্দমতো হাটে গরু নিয়ে আসতে পারে সেজন্য কাজ শুরু করেছে র্যাবসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও শীতলক্ষ্যা নদীতে যাতে কোন গরুর বেপারী বা গরুর ট্রলারে কোন প্রকার চাদাঁবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বা গরু ইজারাদারদের নিয়োজিত সন্ত্রাসীরা গরু নিয়ে টানাটানি করতে না পারে সেজন্য সড়ক ও নদী পথে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব-১১ সদস্যরা নিয়মিত টহল দিবে বলে জানিয়েছেন র্যাব-১১ সিও (অধিনায়ক)। মঙ্গলবার (৩জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী মিল মাঠে বসানো গরুর হাটের পরিদর্শন করেন র্যাব-১১ সিও লে. কর্ণেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন। এ সময় তিনি গরুর হাটে গরু নিয়ে আসা বেপারী ও হাট ইজারাদারের লোকজনের সাথে কথা বলেন।
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব-১১ সিও লে. কর্ণেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নদী বা সড়ক পথে চাঁদাবাজি করলে বা গরু নিয়ে টানাটানি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। নদীপথে চাদাঁবাজির কোন অভিযোগ আমাদের কাছে কেউ করেনি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নদী পদে গরু টানাটানি ও চাদাঁবাজির দুটি ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। নদী পথে গরুর বেপারীরা যাতে নিবিঘ্নে নিজেদের পছন্দ মতো হাটে গরু নিয়ে যেতে পারে সেজন্য র্যাব টহল দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটে গরু নিয়ে আসার পথে শীতলক্ষ্যা নদীতে ইজারাদারের সন্ত্রাসীরা গরুর বেপারীদের নিজ নিজ হাটে জোরপূর্বক নিয়ে যাচ্ছে। আবার গরুর ট্রলারে স্পিড বোডে এসে গরুর ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করছে একদল সন্ত্রাসী। সম্প্রতি এমন দুটি ভিভিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পড়লে গরুর ব্যাপারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।