সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরে তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রধান আসামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে পরিবেশ দূষণকারী প্রতিষ্ঠান হাশেম ফুডসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা মোবাইল ও ফ্রি ফায়ার গেমস কেনার লোভে নিজের বাড়িতে ৩ কিশোরের ডা-কা-তি পালপাড়ায় মার্কেটে ভয়াবহ অ-গ্নি-কা-ন্ড: ৩৫টি দোকান ভ-স্মী-ভূ-ত নির্বাচনের আগে ভারী অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চলমান রয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জে সাবেক মেয়র আইভীর দুই মামলায় জামিন নামঞ্জুর বন্দরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে গণ-ধ-র্ষ-ণ জাতির ক্লান্তিলগ্নে খালেদা জিয়াকে খুব প্রয়োজন: আজহারুল ইসলাম মান্নান বন্দরে ককশিট কারখানায় ভ-য়া-বহ আ-গুন: ৪ ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে পরকীয়ার জেরে ফতুল্লায় সুমন খলিফা খু-ন: বাউল শিল্পি স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৬

খালাস পেয়েছেন মামুনুল হক

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৪৬ Time View

খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আব্দুর কাইয়ুম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেলা সাড়ে ১১ টায় মামুনুল হকের উপস্থিতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। ৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম ১৪ অক্টোবর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় আজ বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। এ মামলায় ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান। ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এ সময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। গত ২০২১ সালের ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে। পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

আদালতের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রোমেল মোল্লা বলেন, মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। যার কারণে আদালত মামুনুল হককে নির্দোষ ঘোষণা করে বেখসুর খালাস প্রদান করেছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, মামলার ধার্য তারিখ অনুযায়ী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। আদালত মামুনুল হককে বেখসুর খালাস প্রদান করেছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছিল। আমরা সেদিন আদালতকে বলেছিলাম এই পুরো বিষয়টি যোগসাজসে সংঘটিত হয়েছে। যিনি মামলার বাদী তিনি শারীরিক পরীক্ষা করাতে রাজী হননি, কারণ তিনি স্বীকার করেছেন মামুনুল হক তার বৈধ স্বামী। একইসঙ্গে বাদীর ছেলে আব্দুর রহমান সাক্ষ্য দিতে এসে বলে গিয়েছিলেন, তার মা মামুনুল হকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাদের ওপর বলপ্রয়োগ করে মামলা করানো হয়েছিল। আদালত আমাদের প্রতি ন্যায়বিচার করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »