বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪-৫ বছরের মধ্যে সড়ক-সেতুতে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করার পরিকল্পনা: নৌপরিবহন মন্ত্রী সোনারগাঁয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মা.রা.মা.রি : দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি সংবাদ সম্মেলনে ইয়া.বা’র বিনিময়ে ডেকে এনে গু.লি ও ছু.রিকা.ঘাতে হ.ত্যা: গ্রেপ্তার ৩ এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে : জামায়াতে আমীর এ দেশের মানুষ তাকে ছক্কা মেরে সীমানার বাহিরে ফেলে দিয়েছে: মামুনুল হক হঠাৎ ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী : কর্মকর্তাদের আগাম হাজিরায় ক্ষো.ভ সিদ্ধিরগঞ্জে পরিবহন শ্রমিক সজীব হ.ত্যা: বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার নগর পার্কে ব.ন্দু.ক হাতে মা.স্তা.নি : দুই তরুণ আটক বন্দরে বুলবুল হ.ত্যা: সিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ৯ জন গ্রেফতার বন্দরে বুলবুল হ.ত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ : তীব্র যানজট

রূপগঞ্জে মেঘনার পানি শোধনাগার: প্রতিদিন ৫০ কোটি লিটার পানি পাবে ঢাকাবাসী

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ১১৯ Time View

রাজধানীর ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা পূরণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমাতে মেঘনা নদীর পানি শোধন করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্বপুরে নির্মাণাধীন বৃহৎ পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ঢাকা ওয়াসার ড্রিঙ্কিং ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন পানি শোধনাগার পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের পানির বড় অংশই ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। অতিরিক্ত উত্তোলনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সেই ঝুঁকি কমাতেই মেঘনা নদীর পানি পরিশোধন করে রাজধানীবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে সরবরাহ করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, একই ধরনের আরেকটি পানি শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। দ্বিতীয় প্রকল্পটিও চালু হলে অতিরিক্ত আরও ৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ফলে দুই প্রকল্প মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি রাজধানীর বাসিন্দাদের জন্য সরবরাহ করা যাবে।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মন্ত্রী প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। পরে তিনি নির্মাণাধীন শোধনাগারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »