বন্দরে ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির ঘটনায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেওলী এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় টেঁটাবিদ্ধসহ উভয় গ্রুপের ১২ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেননি।
আহতরা হলো- শিরিন, জুবায়ের, আ: মালেক, রুহুল আমিন, ওমর ফারুক মাকসুদ, আমির হোসেন, রিনা বেগম, রুনা আক্তার, পারভেজ, বাসেদ ও নাদিম।
স্থানীয়রা জানায়, রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) একটি পক্ষ ঘর তুলতে গেলে অপর পক্ষ বাধা দেয়। এর সূত্র ধরে হুমকি-ধামকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় জানানো হলে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে একটি পক্ষ অপর পক্ষের বাড়িঘরে আর্তকিত হামলা চালায়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষকে থানায় বসার জন্য বলে চলে গেলে পুণরায় একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।
খবর পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে পুলিশ স্থানীয় মসজিদের মাইকে এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহবান জানান। তবে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী বলেন, উভয় গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ৪ জন আহত হয়েছে। আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। এ ঘটনা কোন পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।