শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঐতিহাসিক পঙ্খিরাজ নদী পুনঃখননের দাবীতে সোনারগাঁওয়ে মানববন্ধন ফতুল্লায় পোশাক কারখানার স্টোররুমে এজিএমের ঝুলন্ত মর.দেহ উদ্ধার রাতভর খোঁজাখুঁজি: সকালে লেকে ভাসলো দুই কিশোরের ম.র.দে.হ ফতুল্লায় ভয়া.বহ বি.স্ফো.রণ: বাবার মৃ.ত্যু: হাসপাতালে সন্তানরা গণসংহতি আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সদস্য সচিব সোহাগ স্ত্রীর প্রেমিক ভেবে ফুফাতো শ্যালককেই হত্যা: গ্রেপ্তার ৩ ফতুল্লায় গ্যাস বি.স্ফো.র.ণ: একই পরিবারের পাঁচজন দ.গ্ধ বন্দরের স.ন্ত্রা.সী ক্যা.ডার সোহেল গ্রেফতার আমরা ওসমান পরিবার দ্বারা সকল হত্যার বিচার চাই: রফিউর রাব্বি নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস থেকে দালাল চক্রের সাত সদস্য আটক

ফতুল্লায় পোশাক কারখানার স্টোররুমে এজিএমের ঝুলন্ত মর.দেহ উদ্ধার

ফতুল্লা প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৬ Time View

ফতুল্লায় একটি পোশাক কারখানার স্টোররুম থেকে এক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তারা এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে বিক্ষোভ করেছেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার একটি স্টোররুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইদ্রিস আলী (৪৩) কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী এলাকার বাসিন্দা।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানান, সকালে কারখানার এক শ্রমিক স্টোররুমে ইদ্রিস আলীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

কারখানার সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় অফিস শেষে ইদ্রিস আলীর বাড়ি ফেরার কথা ছিল। সহকর্মীরা তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে তাকে ছাড়াই কারখানার গাড়ি চলে যায়। পরদিন সকালে যে স্টোররুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটির দায়িত্বও তার ওপর ছিল বলে জানান তিনি।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার দাবি করেন, তার স্বামী নিয়মিত নামাজ পড়তেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন। তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে তাদের বিশ্বাস হয় না। সোমবার রাতে স্বামীর খোঁজ না পেয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে জানানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, কারখানা থেকে বলা হয়েছিল উনি সেখানে নেই। সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের পর কারখানার শ্রমিক ও সহকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে অভিযোগ তুলে কারখানার সামনে বিক্ষোভ করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জানান।

ওসি মাহবুব আলম বলেন, শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »