নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন বাদ রেখে জেলার বাকি চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঘোষণায় বলা হয়, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদ ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা পেয়েছেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর পর ২৩৭ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছি। যারা আন্দোলনে ছিলেন, তাদের মধ্যে থেকেই আমরা প্রার্থী নির্বাচন করেছি। এটি সম্ভাব্য তালিকা, আলোচনার ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে পরিবর্তন আসতে পারে। শরিক দলের সঙ্গে সমন্বয় করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদের পাশাপাশি মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তিনবারের সাবেক সাংসদ আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, যুবদলের সাবেক সভাপতি মাসকুদুল আলম খোরশেদ, বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল এবং লন্ডনের নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আলিয়ার হোসেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনের প্রার্থী এখনো ঘোষণা করেনি বিএনপি। দলীয় সূত্র বলছে, এই আসনে জোটের প্রার্থী ছাড় পেতে পারেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ী শাহ্ আলম, জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজিব, থানা সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী ভূঁইয়া এবং বহিষ্কৃত নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ–সোনারগাঁ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আজহারুল ইসলাম মান্নান। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশায় ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাবেক সাংসদ মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এস এম ওলিউর রহমান আপেল।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে নজরুল ইসলাম আজাদের পাশাপাশি মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন সাবেক সাংসদ আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও বিএনপির সহ–অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন।
রূপগঞ্জের (নারায়ণগঞ্জ–১) প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশায় ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুজ্জামান মনির ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক খোকন।