রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছিন.তাই.কারী আখ্যা দিয়ে ফতুল্লায় যুবককে পি.টি.য়ে হ.ত্যা সোনারগাঁওয়ে আসামি ধরতে গিয়ে ৩ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম নারায়ণগঞ্জে হোসিয়ারি শ্রমিক আলমগীর হ.ত্যা: প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেপ্তার নি.খোঁ.জের ৬ দিন পর ডোবা থেকে অটোরিকশা চালকের লা.শ উদ্ধার জাতীয় পতাকায় কালেমা যুক্ত করে বিক্রি: গ্রেপ্তার ২ হাসিমুখে বাসায় ডেকে হ.ত্যা: ধরা পড়ল মূল অভিযুক্ত পদ্মা রেল সেতুর মাটি কাটার কাজ প্রকল্পের নকশা ও চুক্তিরই অংশ: রেলমন্ত্রী অপ.হর.ণের পর ব্যবসায়ীকে হ.ত্যা: তোশকে মোড়ানো লা.শ উদ্ধার জুলাই বিপ্লবের বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি হীরাঝিলে বৈদ্যুতিক তারে আতঙ্ক, ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

ঘু.ষে.র টাকা ফেরত দিতে গিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে অ.ব.রু.দ্ধ পুলিশ কর্মকর্তা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৯ Time View

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম নামের এক পুলিশ কর্মকর্তা জনতার হাতে অবরুদ্ধ হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের চৌধুরীবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম বর্তমানে এএসআই পদে ফতুল্লা মডেল থানায় কর্মরত। এর আগে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় তিনি স্থানীয় এক বৃদ্ধের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়িত্ব পালনকালে এএসআই জহিরুল ইসলাম স্থানীয় বাসিন্দা ইসহাক মিয়ার কাছ থেকে নগদ এক লাখ টাকা এবং ৩২ হাজার টাকার একটি মোবাইল ফোন ঘুষ হিসেবে নেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসে।

ভুক্তভোগী ইসহাক মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গত ৩ নভেম্বর জহিরুল ইসলাম তাঁদের বাসায় গিয়ে তাঁর বাবাকে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করে পাঁচ-ছয়টি মামলার ভয় দেখান। গ্রেপ্তার এড়াতে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলে নিরুপায় হয়ে দর-কষাকষির মাধ্যমে তাঁকে নগদ এক লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৫ নভেম্বর ৩২ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোনও কিনে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ করা হলে তদন্ত শুরু হয়। এরপর জহিরুল ইসলাম কয়েক দফা তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন এবং দুই দফায় ৯০ হাজার টাকা ফেরতও দেন।

সাইফুল ইসলামের অভিযোগ, সোমবার তিনি আবার তাঁদের সঙ্গে দেখা করে বাকি টাকা ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং ঘটনার বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এতে তাঁরা রাজি না হলে তিনি হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এএসআই জহিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কক্ষে আছেন বলে ফোন কেটে দেন। পরে আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে ফতুল্লা থানার এক এএসআইয়ের সঙ্গে স্থানীয়দের ঝামেলার খবর পেয়ে থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে সেখান থেকে নিয়ে আসেন।

এদিকে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে অভিযোগটির তদন্ত করছেন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মেহেদী ইসলাম। তিনি জানান, জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে তাঁকে অবরুদ্ধ করার বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »