অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন বলেছেন, কে নির্বাচন করবে, আর কে নির্বাচন করবে না, সে কি জন্য করবে না, কেন করবে না, এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলার মতো কিছু নেই।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা একটি বড় বিষয়। এখানে সবাই আসছেন। যারা আসছেন, তারাও বলতে পারতেন যে নিরাপত্তা সংকট আছে বলে তারা আসবেন না। এটার ক্ষেত্রেও বলা যায়, এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তিনি কেন নির্বাচন করবেন না, সেটি সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা প্রসঙ্গে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিকেএমইএর সভাপতি মো. হাতেমের সভাতিত্বে বিকেএমইএ কার্য্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) মোঃ খোদা বখস চৌধুরী, অতিরিক্ত আইজিপি শিল্প পুলিশ প্রধান গাজী জসিম উদ্দিন, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, শিল্প পুলিশ-৪ নারায়ণগঞ্জ’র পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাঃ আসাদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী। বুধবার বিকেএমইএ’র পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ-৪-এর কাছে ছয়টি পুলিশ ভ্যান হস্তান্তর করা হয়।
নিরাপত্তা শঙ্কায় ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এই বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের কাছ থেকেই শুনেছি।
দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে ভারত সরকারের তলব প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা ভারতের কর্মকর্তাদের তলব করেছিলাম। আমি এখন জানলাম যে, আমাদের কর্মকর্তাকে তারা তলব করেছে। সাধারণত একজন তলব করলে অপর রাষ্ট্রও তলব করে থাকে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ওসমান হাদি চিকিৎসাধীন আছেন। আপনারা সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন, উনি যেন সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসেন। তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা। দেশের জন্য উনার ব্যাপক অবদান রয়েছে।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প, বিশেষ করে নিটওয়্যার খাত জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপদ শিল্পাঞ্চল, স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের সঙ্গে শিল্প মালিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।