শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ মহানগরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দুই দিনব্যাপী কর্মী তারবিয়াতস অনুষ্ঠিত প্রয়াত সাংবাদিক হাফিজুর রহমান মিন্টু ও কাজিম রেজার স্মরণে দোয়া ও স্মরণসভা প্রতিবাদ ও নিন্দা চাষাড়ায় নারীর পেট থেকে ২ হাজার ই.য়া.বা উদ্ধার : গ্রেপ্তার ৩ ফতুল্লায় মাদরাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দ.গ্ধ ৫ শিশু সিদ্ধিরগঞ্জে পার্কিং করা বাসে আ.গু.ন : ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা রূপগঞ্জে পাউবো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দু.র্নী.তির অভিযোগ : প্রকল্প পরিদর্শনে দুদক চাঁ.দা.বা.জির মামলায় গ্রেপ্তার কৃষক দল নেতা ফয়সাল দল থেকে বহিষ্কার ২০ লাখ টাকা চাঁ.দা চাওয়ায় মহানগর কৃষকদল নেতা গ্রেফতার সরকারের এক ইঞ্চি জমিও অবৈধ দখলে থাকতে দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ আর নেই

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৬৫২ Time View

অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ (৯০) ইন্তেকাল করেছেন। রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। কে এম সফিউল্লাহর ব্যক্তিগত সহকারী জিয়ার রহমান মনি তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রবিবার বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেনারেল শফিউল্লাহর প্রথম জানাজা, বাদ আসর সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

কে এম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডে জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন তিনি।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন কে এম সফিউল্লাহ। ১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২৪শে আগস্ট পর্যন্ত শফিউল্লাহ সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৯৫ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচিত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »