মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বি-স্ফো-র-ণ, দ-গ্ধ আরও একজনের মৃ-ত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪২৯ Time View

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধের ঘটনায় দুই ভাই ও বোনের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবা বাবুল মিয়া (৪০) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা গেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজন মারা গেলেন।

আজ বৃহস্পতিবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে মারা যান বাবুল মিয়া। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে ইসমাইল (১১), সকাল ৯টার দিকে সোহেল মিয়া (২০) এবং সন্ধ্যায় তাসলিমা (৯) মারা যায়।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম বাবুল মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রূপগঞ্জ থেকে আসা একই পরিবারের ছয়জনের মধ্যে বাবুল মিয়া নামে আরও একজন মারা গেছেন। তাঁর শরীরের ৬৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

বর্তমানে সেলি বেগম ৩০ শতাংশ ও সোহেলের স্ত্রী মুন্নি ২০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে। তাদের দুজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

এর আগে গত শুক্রবার ২৫ অক্টোবর রাত পৌনে ১১টার দিকে রূপগঞ্জ ডহরগাঁও গ্রামে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। এতে দগ্ধ হয় মো. বাবুল মিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী সেলি বেগম (৩৫) ছেলে মো. সোহেল মিয়া (২০), মো. ইসমাইল হোসেন (১১) মেয়ে তাসলিমা আক্তার (৯) ও সোহেলের স্ত্রী মুন্নি খাতুন (১৮)।

দগ্ধ বাবুলের চাচাতো ভাই এনামুল হক বলেন, তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানার সুজাপুর গ্রামে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ থানার ডহরগাঁও এলাকার ওই বাসায় নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। বাবুল রাজমিস্ত্রি। স্ত্রী সেলি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। সোহেল ফকির ফ্যাশন নামে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। সোহেলের স্ত্রী মুন্নি গৃহিণী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »