বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফতুল্লার বিকাশ ব্যবসায়ী আতিকুল হ.ত্যা মামলার র.হস্য উদঘাটন: গ্রেফ.তার ৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গু.লিবি.দ্ধ সাহালমকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান স্ত্রীর সঙ্গে পর.কীয়া স.ন্দেহ: ঘুমন্ত ছোট ভাইকে খু.ন ঐতিহাসিক পঙ্খিরাজ নদী পুনঃখননের দাবীতে সোনারগাঁওয়ে মানববন্ধন ফতুল্লায় পোশাক কারখানার স্টোররুমে এজিএমের ঝুলন্ত মর.দেহ উদ্ধার রাতভর খোঁজাখুঁজি: সকালে লেকে ভাসলো দুই কিশোরের ম.র.দে.হ ফতুল্লায় ভয়া.বহ বি.স্ফো.রণ: বাবার মৃ.ত্যু: হাসপাতালে সন্তানরা গণসংহতি আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সদস্য সচিব সোহাগ স্ত্রীর প্রেমিক ভেবে ফুফাতো শ্যালককেই হত্যা: গ্রেপ্তার ৩

ফতুল্লায় হত্যা মামলার পলাতক আসামী ১২ বছর পর গ্রেপ্তার

ফতুল্লা প্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৮৬ Time View

ফতুল্লার ১২ বছর পর ঝুট ব্যবসায়ী কবির হোসেন হত্যা মামলার দন্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। রবিবার (১৫ অক্টোবর) সোনারগাঁও উপজেলার মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। অভিযুক্ত আসামি যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামি।

আসামীর নাম মো. কাজল মিয়া (২২)। সে ফতুল্লার কোতয়ালেরবাগ বউ বাজার এলাকার হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলু মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব-১১ মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র এএসপি) মো. রিজওয়ান সাঈদ জিকু এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী ফতুল্লা থানার যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্ত দীর্ঘদিন পলাতক আসামী। প্রাথমিক তদন্ত সূত্রে জানা যায় যে, ২০১১ সালের ২১ এপ্রিল রাতে পরিবারের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিলেন ঝুট ব্যবসায়ী কবির হোসেন (৩৫)। রাত ১ টার দিকে ফোন করে ভিকটিমকে তার ভাড়া বাসা থেকে ডেকে নেয় অভিযুক্ত আসামীরা। এরপর আর বাড়িতে ফিরেননি কবির হোসেন। পরদিন সকালে পাশের এলাকার একটি ডোবা থেকে তার গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে বেড়িয়ে আসে পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম কবির হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘ ১ যুগ পর আদালত সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ উম্মে সরাবন তহুরা এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে নারীসহ ২ জনকে আমৃত্যু কারাদন্ড ও পাচঁজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আমৃত্যু কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, ফতুল্লার সিয়াচর এলাকার সালেহা বেগম ও মনির হোসেন। আর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলো, কাজল মিয়া, মোঃ জুয়েল, নুরুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. লিটন মিয়া।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী’কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ফতুল্লা থানার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »