ফতুল্লার পঞ্চবটী -মুক্তারপুর সড়কের শাসনগাও শাহি মসজিদ এলাকায় গাড়ী ভাংচুর ও রাস্তার আগ্মি সংযোগের ঘটনায় ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত নামা আরো অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে মামলাটি
দায়ের করেন।
এতে আসামী করা হয়েছে ফতুল্লা থানা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ (৪২).ফতুল্লা থানা কৃষক দলের সভাপতি আমির হোসেন (৪২), ফতুল্লা থানা ছাত্র দলের আহবায়ক মেহেদী হাসান দোলন (৩০), সদস্য সচিব রিয়াদ দেওয়ান (২৫), যুবদল নেতা রতন (৩৮), নারায়নগঞ্জ জেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ-সভাপতি শরিফ হোসেন মানিক (৩১), যুবদল নেতা মনির (৫০). এনায়েত নগর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা জুম্মন (২৮), ফতুল্লা থানা বিএনপির সদস্য কায়েস আহম্মেদ পল্লব (৪১), এনায়েত নগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক জসিম (৮৫) ও কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আরিফ মন্ডল (৪২)।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) রাতে ফতুল্লার পঞ্চবটী মুক্তারপুর সড়কের বিসিক এলাকায় হরতালের সমর্থনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল করে রাস্তায় অগ্রিসংযোগ সহ দুটি ট্রাক ভাংচুর করে।
জানা যায়,বৃহস্পতিবার রাতে বিসিক সড়কে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে মশাল মিছিল বের করেন থানা যুবদল ও স্বেচ্চাসেবক দল। এতে নেতৃত্ব দেন থানা স্বেচ্চাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ। মিছিল থেকে হরতালের সমর্থনে নানা স্লোগান দিয়ে নেতাকমমীরা একটি তেলবাহী ট্রাক ও একটি কাভার্ডভ্যানে ভাংচুর চালায় ও গ্নসংযোগের চেষ্টা করে। এসময় খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ধাওয়া দিয়ে রাসেল মাহমুদকে আটক করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম মিয়া জানান, রাতে পঞ্চবটা মুক্তারপুর সড়কের বিসিক এলাকায় মশাল মিছিল সহ রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তায় অগ্নিসংযোগ সহ দুটি ট্রাকে ভাংচুরের চেষ্টা করলে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ সচিব রাসেল মাহামুদকে আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।