বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর হা.ম.লার মামলায় ৪ জনসহ ৭ আসামি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে লু.ট হওয়া পি.স্ত.ল উদ্ধার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করতে যাওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটলো স্ত্রী নারায়ণগঞ্জ পুলিশে গোপালগঞ্জের বাসিন্দাদের তালিকা চাইলেন এমপি মান্নান: দিলেন তিতাস কর্মকর্তাদের পি.টা.নোর অর্ডার সোনারগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে লা.থি মা.রা সেই কিশোর আটক ফতুল্লায় বন্ধ গোডাউন থেকে গলিত লা.শ উদ্ধার : আটক ২ বন্দরে গ্যাস লিকেজে আ.গুন: দ.গ্ধ শিশুর মৃ.ত্যু: শ.ঙ্কায় বাবা-মা আমের ক্যারেটে ফেন.সিডি.লের বিকল্প ফেয়ার.ডিল: র‌্যাবের জালে ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ১ তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সং.ঘ.র্ষ : আ.হ.ত ৫ সিদ্ধিরগঞ্জে দিনমজুরকে আ.টকে ২ লাখ টাকা চাঁ.দা দাবি: ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭

ফতুল্লায় মাদ কাসক্ত ছেলেকে হ ত্যা করে ড্রেনে ফেলেন বাবা-মা: পুলিশ

ফতুল্লা প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ৩৪৩ Time View

ফতুল্লায় ড্রেন থেকে জনি সরকার নামে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম।

তিনি জানান, পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হয়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জনির বাবা-মা সরাসরি জড়িত। পরবর্তীতে তাদের গ্রেপ্তার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করে বিস্তারিত বিবরণ দেন।

বুধবার (১৮ জুন) রাতে ফতুল্লার লালখা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহত জনি’র বাবা করুনা সরকার (৫৩) ও মা অনিতা রানী সরকার (৪৮)। তারা ফতুল্লার শিয়াচর লালখা এলাকার দুলাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

গত মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় ড্রেনের ভেতর থেকে একটি বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জনি সরকারের বাবা তার ছেলের মরদেহ বলে শনাক্ত করে। ঘটনার পর নিহত জনির বাবা নিজেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, নিহত জনি সরকার একজন মাদকাসক্ত এবং বখাটে প্রকৃতির যুবক ছিলেন। তিনি প্রায়ই মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে মারধর করতেন। ঘটনার দিন, সোমবার রাতেও তিনি টাকার জন্য খারাপ ব্যবহার করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে, জনির বাবা ঘুমন্ত ছেলেকে প্রথমে রুটি বানানোর কাঠের বেলুন দিয়ে মাথা ও মুখে আঘাত করে অচেতন করেন। এরপর শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, পরে রাত আনুমানিক ২টার দিকে জনির হাত-পা বেঁধে একটি বস্তায় ভরে মরদেহ নিজেই মাথায় করে বাড়ির পাশে লালখা মোস্তফার গলির ড্রেনে ফেলে রেখে আসেন।

ওসি শরিফুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জনির বাবা-মা হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »