বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিদ্ধিরগঞ্জে সেলাইকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঝুট নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সং.ঘ.র্ষের ঘটনায় যুবদল ও ছাত্রদলের ৩ নেতা গ্রেপ্তার আমাদের দেশে দক্ষ মানব সম্পদের অভাব রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈ.ধভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি: গ্রে.প্তার ২ সিদ্ধিরগঞ্জে সেলাই কর্মীর মৃ.ত্যু নিয়ে রহস্য ফতুল্লায় ঝুট নিয়ে র.ক্ত.ক্ষ.য়ী সং.ঘ.র্ষ: গু.লি-ক.ক.টে.লে আহ.ত ৩: শিশুর পেটে গু.লি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেহাল দশা: কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ২০ কিমি যানজট সিদ্ধিরগঞ্জে হাত-পা বেঁধে ফিল্মি স্টাইলে ডা.কা.তি সিদ্ধিরগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ : পুলিশের লাঠিচার্জ সদর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত: ২০ রমজানের মধ্যে পাওনা পরিশোধের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫
  • ২৫৫ Time View

আগামী ২০ রমজানের মধ্যে শ্রমিকের পূর্ণ ঈদ বোনাস, সমস্ত বকেয়া ও চলতি মাসের বেতন পরিশোধ এবং শ্রমিক ছাঁটাই, নির্যাতন, মিথ্যা মামলা বন্ধের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার (৭ মার্চ) বেলা ১১টায় শহরের নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লবের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আব্দুল হাই শরীফ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুর রহমান, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অঞ্জন দাস, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, পোষাক ও সোয়েট্রা শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র জেলার সভাপতি শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম সম্পাদক নাছির হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি জেলার সভাপতি আব্দুল আল মামুন প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে শ্রমজীবী মানুষের জীবন দিশেহারা। দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষ ঈদ আসলেই কেবল ভাবতে পারে পরিবার পরিজনের জন্য কিছু ভাল খাবার ও কিছু জামা কাপড় কেনার। এমনিতেই শ্রমিকের মজুরি কম। তাই শ্রমিকরা ঈদের আগে অতিরিক্ত কাজ করে তাদের আয় বাড়ানোর জন্য। কিন্তু মালিকরা ঈদের আগে বেতন-বোনাস নিয়ে কারখানাগুলোতে সংকট তৈরি করে। অনেক মালিক বোনাস না দিয়ে ৫০০/১০০০ টাকা বকশিশ দেয়, অনেকে হাফ বোনাস দেয়। অনেক গার্মেন্টসে তাও দেয় না। সরকারি প্রতিষ্ঠানে বেসিকের সমান বোনাস দেয়া হয়। অথচ যাদের উৎপাদনের কারণে দেশে বৈদেশিক মূদ্রা আসে তাদের ঠিকমতো বোনাস দেয়া হয় না। শ্রমিকদের সরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো পূর্ণ বোনাস দিতে হবে। ঈদের আগে শ্রমিকের চলতি বেতন পাওয়া ন্যায্য। শ্রমিকদের বেতন বোনাস ঈদের শেষ মুহূর্তে দিলে শ্রমিক বাড়ি যাওয়ার তাড়ায় ভালো করে কেনাকাটা করতে পারে না। শ্রমিকদের ঈদের কমপক্ষে ১০ দিন আগে অর্থাৎ শ্রমিকের পূর্ণ বোনাস ও চলতি মাসের বেতনসহ সমস্ত বকেয়া পাওনাদি পরিশোধ করতে হবে। বেতন বোনাস নিয়ে মালিকদের গড়িমসির কারণে শিল্প এলাকায় যদি শ্রমিক অসন্তোষ তৈরি হয় তার জন্য মালিক ও প্রশাসন দায়ী থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »