বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ: কেন্দ্রসচিবকে অব্যাাহতি সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধভাবে জ্বালানি বিক্রি: জরিমানা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পিকআপ-লরি সংঘর্ষে আ.হ.ত ১ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে: অধ্যাপক মামুন মাহমুদ কন্টেইনার পোর্ট ও মার্কেট নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবিতে নাসিক প্রশাসককে নাগরিক কমিটির চিঠি সিদ্ধিরগঞ্জে ১ হাজার ১২০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার আড়াইহাজারে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে দু.র্ধ.র্ষ ডা.কা.তি সিদ্ধিরগঞ্জে গেম খেলার প্রলো.ভন দেখিয়ে দুই শিশুকে নি.পী.ড়ন: বৃদ্ধ গ্রে.প্তার সিদ্ধিরগঞ্জে সেলাইকর্মী হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঝুট নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সং.ঘ.র্ষের ঘটনায় যুবদল ও ছাত্রদলের ৩ নেতা গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জে নারীকে গলা কেটে হত্যা: দুই আসামীর যাবজ্জীবন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩
  • ১৯৯ Time View

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নূর বানু (৬০) নামে এক নারীকে করাত দিয়ে গলা কেটে হত্যার মামলায় দুই আসামীর যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। সোমবার (২০ জুন) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন আসামীদের উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন।

আসামীরা হলেন,রূপগঞ্জের গন্ধবপুর এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে কামরুজ্জামান ওরফে কামু (৪০) ও একই এলাকার মৃত নূরু মিয়ার ছেলে রুবেল হোসেন (৩৪)। তারা নিহত নূর বানুর প্রতিবেশী। তবে এই রায় সন্তুষ্ট হয়নি উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলে জানান নিহতের স্বজনরা।

নিহতের স্বজনরা জানান, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার গন্ধর্বপুর গ্রামের নূর বানুর প্রায় দুই শতাংশ জমি দখল করে রাখে প্রতিবেশী দুই ভাই জাহাঙ্গীর ও রুবেল। এ নিয়ে গ্রামে বেশ কয়েকবার বিচার সালিশ হলেও অভিযুক্তরা তা না মানায় এর কোন সমাধান হয়নি। তবে বিচার সালিশের কারণে প্রায় সময় নূর বানুকে স্বপরিবারে হত্যার হুমকিও দিয়েছে তারা। পরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৩০ জুন নূর বানুকে করাত দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে অভিযুক্ত দুই ভাই ও তাদের সহযোগীরা। এ ঘটনার পরদিন ১ জুলাই নিহতের ছেলে ইলিয়াস মিয়া বাদী হয়ে জাহাঙ্গীরের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ-ছয়জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করলে জামিনে থাকা অবস্থায় মূল আসামী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে অপর দুইজনকে আসামী করে ২০২২ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামীদের মধ্যে কামরুজ্জামান কামু হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দিও দেন।

তবে এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন নিহতের স্বজনরা। নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী ইলিয়াস মিয়া জানান, সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও জবাবনবন্দিতে আসামিরা দোষী প্রমানিত হয়েছে, তাই আমরা আশা করেছিলেন তাদের ফাঁসির রায় হবে। তবে এই রায়ে আমরা হতাশ। ন্যায়বিচার পেতে আমরা হাইকোর্টে আপিল করব।

নিহত নূর বানুর মেয়ে সেলিনা আক্তার বলেন, আমার মাকে নির্মমভাবে করাত দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে। আসামিরা স্বীকারও করেছে। তবে কেন এই সাজা হলো। আমরা আশা করছিলাম ফাঁসি হবে। কিন্তু আমরা ন্যায় বিচার পাইলাম না।

আদালত এই মামলায় ঊনিশজনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় দিয়েছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. মনিরুজ্জামান বুলবুল বলেন, এই মামলায় আসামিদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আদালত এই মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই রায় দিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »