সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জের পূর্বাচলে মোটরসাইকেল দু.র্ঘ.ট.নায় যুবদল নেতা নি.হ.ত শেখ হাসিনা সরকারের মতো অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে: রফিউর রাব্বি বিএনপি জোটের প্রার্থী কাশেমীর বি.রু.দ্ধে সাংবাদিকের মা.ন.হা.নি মামলা জামায়েত ও এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীদের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিউটি পার্লারের টয়লেট থেকে নি.খোঁ.জ নারীর লা.শ উদ্ধার নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন: জামায়াত প্রার্থীকে জরিমানা বিএনপির ফ্যামিলি কার্ডের প্রতিশ্রুতি শেখ হাসিনার ১০ টাকার চালের মতোই: গোলাম পরওয়ার আমার কর্মীদের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না: মোহাম্মদ আলী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী প্রচারণা: বিএনপি জোটের প্রার্থীকে দেড় লাখ টাকা জ.রি.মা.না রূপগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সং.ঘ.র্ষে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নি.হ.ত

সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গনের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা সোনারগাঁওয়ের লোকজ উৎসবে

সোনারগাঁও প্রতিনিধি
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৪৩ Time View

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন সোনারগাঁও জাদুঘর আয়োজিত লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসবে ‘সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গন’-এর উদ্যোগে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

লেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মী শংকর প্রকাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন ‘সুবর্ণগ্রাম সংস্কৃতি অঙ্গন’-এর সভাপতি কবি শাহেদ কায়েস। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সাবেক সভাপতি কবি রহমান মুজিব।

শাহেদ কায়েস তাঁর বক্তব্যে বলেন- ‘সুবর্ণগ্রাম গত প্রায় দুই দশক যাবত সোনারগাঁয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি সংস্কৃতিই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।

সূচনাকাল থেকেই সংস্কৃতি, বিশেষ করে লোকসংস্কৃতি মানব সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে। লোককাহিনীগুলোর মাধ্যমেই মানুষেরা সমাজের মূল্যবোধ, বিশ্বাস এবং ঐতিহ্যকে এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছায়।

সময়ের বিবর্তনে লোককাহিনী বিভিন্ন রূপ ধারন করে। যেমন মিথ, কিংবদন্তি, লোককাহিনী এবং প্রবাদ। যদিও লোককাহিনীর এই রূপগুলির প্রতিটিই স্বতন্ত্র, কিন্তু এই লোককাহিনী একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধকে কেন্দ্র করেই বিকাশ লাভ করে।

যে বিশেষ গুনটি লোককাহিনীকে বিশেষ করে তোলে তা হলো এর মানবতাবাদী সুর।’ রহমান মুজিব বলেন, “লোক সঙ্গীত বাংলাদেশের সঙ্গীতের একটি অন্যতম ধারা। এটি মূলত বাংলার নিজস্ব সঙ্গীত। গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের কথা, সুখ-দুঃখের কথা ফুটে ওঠে এই সঙ্গীতে।”

সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর ‘কল কল ছল ছল নদী করে টলমল/ঢেউ ভাঙ্গে ঝড় তু’ফানে’ এই দলীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। দলীয় সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন- উমা রায়, দোলন রানী, ভাবনা সূত্রধর, প্রিয়ন্তি আমিন পিউ, অমৃতা বর্মণ, স্নিগ্ধা বর্মণ, সেঁজুতি বর্মণ, রুপন্তি সরকার, দ্বৈতা দাস, সায়না সরকার, সান্ত্বনা চক্রবর্তী, স্মরণ চক্রবর্তী ও শংকর প্রকাশ। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন- দোলন রানী, ভাবনা সূত্রধর, প্রিয়ন্তি আমিন পিউ, অমৃতা বর্মণ, রুপন্তি সরকার ও স্নিগ্ধা বর্মণ। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে শিশুশিল্পী হুমাইরা জেসনিন ও সেঁজুতি বড়ুয়া, ছড়া-কবিতা আবৃত্তি করে রেহনুমা সাহরিন রিহা, মোহাম্মদ আদেল রহমান, আবরার হোসাইন পরশ ও পারিশা পারভেজ আঁখি। অনুষ্ঠানের শেষ পরিবেশনা ছিল মূকাভিনয়।

উজ্জ্বল উচ্ছ্বাসের রচনা ও নির্দেশনায় পর পর দু’টি মূকাভিনয়- ‘ভিজুয়াল লাইফ’ এবং ‘মব জাস্টিস সিঁধচোর’ পরিবেশন করে ‘মাইম ফেইস- নারায়ণগঞ্জ’। মূকাভিনয় দু’টিতে অংশ নেন মূকাভিনয়শিল্পী উজ্জ্বল উচ্ছ্বাস, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, আবদুল হান্নান সোহান, আব্দুল জব্বার, মৌন লাকি, কাসেম আলী ও মায়শা হক পাপড়ি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »