শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাঁচপুরে পাথর বালু ঘাট দখল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সং.ঘ.র্ষে আ.হ.ত ১৫ শহরের হকার সমস্যা এখন অ.ভি.শ.প্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে: নাসিক প্রশাসক সিদ্ধিরগঞ্জে ছিন.তাই.কালে গণ.পিটু.নিতে ১ জন নি.হ.ত রূপগঞ্জে বিএনপি নেতাদের মা দ কবিরোধী অভিযান সিদ্ধিরগঞ্জে ইট-বালু ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ সৈনিকদল নেতার বিরুদ্ধে ইফতারের পর বিকট শব্দ; ভবনের দেয়াল ধসে পড়ে আহত ৩ সিদ্ধিরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর দোয়া ও ইফতার সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল ফ্যাসিস্টের দোসর মন্তব্যে বিসিকে উত্তেজনা: দুই ঘণ্টা কারখানায় সংসদ সদস্য

আড়াইহাজারে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৭৭ Time View

আড়াইহাজারে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ২৭ আগস্ট ঘটলেও বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আড়াইহাজার থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করে।

ডাক্তার পরীক্ষার জন্য ধর্ষিতাকে নারায়ণঞ্জের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আড়াইহাজার থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার পঁচিশ বছরের ওই গৃহবধুর ৫ বছর আগে রাধানগর গ্রামের আঃ লতিফের ছেলে শেখ ফরিদের (৩৫) সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের আগে ওই গৃহবধুর পরিবার জানতো না সে একজন মাদকসেবী।

বিয়ের পর থেকে শেখ ফরিদ মাদকের টাকার জন্য ওই গৃহবধুকে বেধরক মারধর করতো। এনিয়ে স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশ হলেও শেখ ফরিদ কোন পরিবর্তন হয়নি।

অবশেষে বাধ্য হয়ে ওই বছরই কাজী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি শেখ ফরিদকে তালাক দিয়ে পিতার বাড়িতে চলে আসে। এর এক বছর পর পারিবারিক ভাবে কালাপাহাড়িয়া এলাকার এক যুবকের সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছেন।

পরবর্তীতে শেখ ফরিদ ওই গৃহবধুর মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাকে ফোনে ভয়ভীতি দেখানো সহবিভিন্ন সময় হুমকী-দমকী দিতে থাকে। গত রবিবার (২৭ আগষ্ট) সন্ধা ৭টার দিকে বাড়ির পাশের রাধানগর বাজরের ফার্সেসী থেকে ওষুধ আনার জন্য বের হলে রাস্তায় প্রাক্তন স্বামী শেখ ফরিদ দেখতে পেয়ে ডাক দেয়।

ডাকে সাড়া না দিলে শেখ ফরিদ তার মুখ চেপে ধরে তার অন্যান্য সহযোগী রাধানগর গ্রামের আঃ লতিফের ছেলে মোঃ হালিম, নোয়াব মিয়ার ছেলে মোঃ মজিবুর, এসেন মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া ও আফাজদ্দিনের ছেলে আঃ কাদির তাকে উঠিয়ে মেঘনা নদীর ঘাটে নিয়া যায়। সেখান থেকে ইঞ্জিনচালিক নৌকার করে মাঝনদীতে নিয়ে জোরপূর্বক তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। স্ত্রী খোঁজে বন্ধুকে নিয়ে ওই রাতেই তার স্বামী নদীর ঘাট এলাকায় গেলে ধর্ষণকারীরা দেখতে পেয়ে তাকে ট্রলারে তুলে নদীর মাঝ খানে নিয়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে মাঝ নদীতে রেখে চলে যায়।

পরে সেখান থেকে এসে স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহল থানায় মামলা না করে মিমাংসা করার জন্য চাপ দিতে থাকে এবং ধর্ষিতার পরিবারকে নজর বন্দি করে রাখে। পরে ডাক্তারে কাছে যাওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার এলাকা থেকে থানায় আসে। ধর্ষিতার স্বামী বাদী হয়ে ওই দিন দুপুরে থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

আড়াইহাজার থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব জানান, মামলা নেয়া হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানে নেমেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »