বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে পাউবো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দু.র্নী.তির অভিযোগ : প্রকল্প পরিদর্শনে দুদক চাঁ.দা.বা.জির মামলায় গ্রেপ্তার কৃষক দল নেতা ফয়সাল দল থেকে বহিষ্কার ২০ লাখ টাকা চাঁ.দা চাওয়ায় মহানগর কৃষকদল নেতা গ্রেফতার সরকারের এক ইঞ্চি জমিও অবৈধ দখলে থাকতে দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী বন্দরে পুকুরে কুমির : উদ্ধারে হিমশিম বন বিভাগ সিদ্ধিরগঞ্জে অটোরিকশার গ্যারেজে মধ্যরাতে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান: ৪ লাখ টাকা জরিমানা সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতিসহ ৪ জন গ্রেপ্তার ৪-৫ বছরের মধ্যে সড়ক-সেতুতে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করার পরিকল্পনা: নৌপরিবহন মন্ত্রী সোনারগাঁয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মা.রা.মা.রি : দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি সংবাদ সম্মেলনে

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিলেন

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৫৩ Time View

হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন- মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক এস এম শফিকুল ইসলাম এবং ডিএনএ চিকিৎসক রবিউল ইসলাম।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক তাদের সাক্ষ্য নেন। এ নিয়ে এই মামলায় ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, আজ মামুনুল হকের বিপরীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিএনএ চিকিৎসক আংশিক সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী তারিখে আবার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এসময় তিনি আরও বলেন, সাক্ষীরা আমাদের অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারেননি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওইসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল ওই মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে।

পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

ওই বছরের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একইসঙ্গে ওই বছরের ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »