মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সারা দেশে খাদ্য গুদামগুলো ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে প্রকৃত শিক্ষা সৎ ও নিষ্ঠার সাথে জীবন যাপন করতে শেখায়: এমপি কায়সার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে: গোলাম দস্তগীর গাজী এমপি বন্দরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র হ্রাসকরণের লক্ষ্যে আড়াইহাজারে মাশরুম চাষ দিবস অনুষ্ঠিত পুলিশ সদস্যের কাছে ২ লাখ টাকা নিয়ে গেলেন অজ্ঞানপার্টির সদস্য সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের মানববন্ধন ও মিছিল, বাজেট প্রত্যাখ্যান দুর্নীতিবাজকে সরাসরি দুর্নীতিবাজ বলতে শিখুন: দুদক কমিশনার জীবন একটাই, এ জীবন নিয়ে চিকিৎসার নামে হয়রানি মেনে নেয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী র‌্যাব পরিচয়ে ৫২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিলেন

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৩ Time View
Mamunul hoque মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিলেন

হেফাজতে ইসলামের সাবেক নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেন- মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক এস এম শফিকুল ইসলাম এবং ডিএনএ চিকিৎসক রবিউল ইসলাম।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক তাদের সাক্ষ্য নেন। এ নিয়ে এই মামলায় ৪০ সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, আজ মামুনুল হকের বিপরীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিএনএ চিকিৎসক আংশিক সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী তারিখে আবার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এসময় তিনি আরও বলেন, সাক্ষীরা আমাদের অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারেননি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওইসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় অবস্থান করে আসছিলেন। এসময় পুলিশ তাকে নজরদারির মধ্যে রাখে। এরপর ১৮ এপ্রিল ওই মাদরাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় মামুনুলকে।

পরে এ ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক।

ওই বছরের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্য নেন আদালত। একইসঙ্গে ওই বছরের ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Translate »