বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪-৫ বছরের মধ্যে সড়ক-সেতুতে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করার পরিকল্পনা: নৌপরিবহন মন্ত্রী সোনারগাঁয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের মা.রা.মা.রি : দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি সংবাদ সম্মেলনে ইয়া.বা’র বিনিময়ে ডেকে এনে গু.লি ও ছু.রিকা.ঘাতে হ.ত্যা: গ্রেপ্তার ৩ এই সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে : জামায়াতে আমীর এ দেশের মানুষ তাকে ছক্কা মেরে সীমানার বাহিরে ফেলে দিয়েছে: মামুনুল হক হঠাৎ ভূমি অফিস পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী : কর্মকর্তাদের আগাম হাজিরায় ক্ষো.ভ সিদ্ধিরগঞ্জে পরিবহন শ্রমিক সজীব হ.ত্যা: বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার নগর পার্কে ব.ন্দু.ক হাতে মা.স্তা.নি : দুই তরুণ আটক বন্দরে বুলবুল হ.ত্যা: সিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ৯ জন গ্রেফতার বন্দরে বুলবুল হ.ত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ : তীব্র যানজট

মহানবী (সা.) এর হিজরত কেন মদিনায় হলো?

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ২৭৮ Time View

কুরাইশের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নবীজি (সা.) মুসলিমদের প্রথমবার মক্কা ছাড়ার অনুমতি দেন নবুয়তের পঞ্চম বর্ষে। ৬১৩ খ্রিষ্টাব্দে আরবি রজব মাসে চারজন নারীসহ ১২ বা ১৫ জন মানুষ আবিসিনিয়ার (বর্তমান ইথিওপিয়া) উদ্দেশে যাত্রা করেন। ‘মক্কার সবাই মুসলমান হয়ে গেছে’, এমন খবর শুনে সবাই কয়েক মাসের মাথায় জন্মভূমিতে ফিরে আসার পথে রওনা দেন। কাছাকাছি পৌঁছে শোনেন খবরটি মিথ্যা। কয়েকজন যে পথে এসেছেন সে পথেই ফিরে যাবেন বলে থমকে দাঁড়ান, কয়েকজন মক্কায় এসে থেকে যান। যাঁরা আবিসিনিয়ায় ফিরে যান, তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন আরও শতাধিক নারী-পুরুষ। তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন নবীজির চাচাতো ভাই জাফর ইবনে আবু তালিব (রা.)।

নবীজি তাঁদের সঙ্গে ছিলেন না। অবশ্য আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীরা যখন আবার হেজাজের পথ ধরেন, ততদিনে নবীজি মক্কায়ও নেই। ৬২১ খ্রিষ্টাব্দের জুনের শেষ দিকে নবীজি ইয়াস্রিবে চলে গেছেন, যা পরে ‘মদিনাতুন্নবি’ অর্থাৎ নবীর শহর বা মদিনা নামে খ্যাত হয়েছে। আবিসিনিয়ার মুহাজিরগণ আরও প্রায় ৭ বছর পরে ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে সরাসরি মদিনায় এসে নবীজির (সা.) সঙ্গে মিলিত হন।

প্রশ্ন হলো, নবীজি (সা.) আবিসিনিয়া বা অন্য কোথাও না গিয়ে মদিনায় হিজরত করলেন কেন?

এর বেশ কয়েকটি কারণ প্রখ্যাত সিরাত গবেষক আবুল আলি নদভি (রহ.) তাঁর নবীয়ে রহমত গ্রন্থে ব্যাখ্যা করেছেন।

প্রথমত, আল্লাহর নির্দেশ। কী রহস্য ছিল এই নির্দেশের পিছনে তা-ও আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না।

দ্বিতীয়ত, ৬২১ ও ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে হজের সুযোগে মক্কায় একদল মদিনাবাসী যেভাবে নবীজির (সা.) হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেছেন এবং নবীজিকে রক্ষার সর্বত শপথ করেছেন, তা আল্লাহ অত্যন্ত পছন্দ করেছিলেন। মদিনাকে দারুল হিজরত ও ইসলামের দাওয়াতের কেন্দ্র হিসাবে নির্বাচনের পেছনে মদিনাবাসীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন ছিল তাই অন্যতম কারণ।

তৃতীয়ত, ইয়াস্রিবের ভৌগোলিক সুবিধা। পর্বত, ঘন খেজুরের বন আর ‘হাররা’ (লাভা স্থান) তিন দিক থেকে বেষ্টিত নিরাপদ অঞ্চল। কৃষি অঞ্চল। সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি সুদৃঢ় দুর্গ হিসেবে মদিনার অবস্থান তাই গুরুত্বপূর্ণ। আরব উপদ্বীপের কাছাকাছি আর কোনও শহর এ ব্যাপারে তার সমকক্ষ ছিল না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
Translate »